Keep proper journalism alive. It's time to Back the Cable
The Bristol Cable

Why you should know about Bristol’s great Hindu reformer

One of Arnos Vale’s most distinctive tombs commemorates a remarkable man

Bristol and Beyond

One of Arnos Vale’s most distinctive tombs commemorates a remarkable man

Words: Koel Mukherjee
Translation: Gitika Mukherjee and Deya Mukherjee
Photos: Ed Fielden

 We apologise for the Bengali script errors in the 8th edition print version of this article. 

The largest single-person memorial in Arnos Vale cemetery belongs to an Indian man you’ve probably never heard of. There’s a statue of him near College Green, a painting of him in the Bristol Museum and a road named after him in Stapleton. So who was he?

08-bengli-college green-headRaja Rammohun Roy was born in 1772 in Radhanagore, Bengal, and died of meningitis in Bristol in 1833. He’s most famous for helping outlaw the practice of sati, in which Hindu widows were burned alive on their husbands’ funeral pyres. A passionate social reformer, he set up free newspapers promoting human rights and social justice.

Roy, a complex figure, both co-operated with and criticised the British administration, working for the East India Company and later disapproving of its excesses, as well as condemning colonial restrictions on the press. His high-caste background undoubtedly helped him, yet his own family ostracised him for his actions.

Punditji Kamlesh Vyas, the priest at Bristol Hindu Temple, speaks of him as an inspiration:

“What Roy did for our community was excellent, ending a ridiculous practice like sati…he was criticised by many but didn’t think about that. He just thought, no, this is wrong.”

Challenging Hindu orthodoxy led Roy to start to the Brahmo Samaj movement, promoting a more universal Hinduism of one god who embraces everyone, without the need for rigid conservative rituals.

So why should Bristolians care? Because Roy’s quest for spiritual truth made him connections around the world and his friendship with Bristol Unitarian minister, Lant Carpenter, drew him here in 1831.

His ideas inspired Unitarians, then a Christian reform movement also fighting for social justice. Carpenter’s famous social reformer daughter Mary Carpenter was motivated to campaign for women’s education in India. Roy’s visit later drew other 19th century Indian religious reformers to Bristol, continuing a tradition of sometimes uncomfortable, yet enthusiastic, interfaith and multicultural dialogue.

Roy became part of our history when he died here and his tomb attracts visitors and flowers throughout the year. Both Hindus and Unitarians attend a memorial service each September; Arnos Vale’s Janine Marriott says the cemetery is “honoured to have him”.

“He was so forward-thinking, so compassionate…someone who helped his fellow man and one of our biggest international links.”

People have sought to project their views onto Roy and claim him as their own. Was he a radical or a colonial stooge? A Christian convert or a Hindu reformist? An out-of-touch intellectual or a man of the people who helped create a fairer society? All of these things, perhaps – or maybe none of them are quite right.

But what we know shows a complicated man searching for his own truth and fighting for what he believed in. He’s remembered for his actions – and how they inspired people in our city.

আরনস ভেল কবরস্থানের সব থেকে বড় স্ম্তিমন্দিরটি হচ্ছে একজন ভারতীয়র, যাঁর নাম আপনারা হয়ত কখন শোনেনি। কলেজ গ্রীনের নিকটে এনার একটি মুর্তী আছে, ব্রিষ্ঠল মিউজিয়ামে ওনার একঠি চিত্র আছে আর আছে স্টেপলটন শহরে ওনার নামে একটি রাস্তা।কে ছিলেন উনি?

রাজা রামমোহন রায় ১৭৭২ সালে জন্মেছিলেন বাংলার রাধানগরে, এবং ১৮৩৩ সালে মারা যান, ব্রিষ্ঠলে, মেনিনজাইটিস রোগে। উনি অতি সুপরিচিত ছিলেন সতিদাহ প্রথা বেআইনি প্রচলিত করতে সাহায্য করার জন্য। সতিদাহ প্রথাতে হিন্দু বিধবাদের জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হতো অদের স্বামীর চিতায়। একজন আবেগপুর্ন সামাজিক সংস্কার সাধক, উনি বিনামুল্য পত্রিকা স্থাপন করেন যেটার মাধ্যমে জন স্বাধীনতা উন্নতিসাধন, সামাজিক ন্যায় এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা স্থাপনা করেন।

উনি একজন জটিল মানুস ছিলেন জিনি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকারকে এক ধারে যেমন নিন্দাও করেছেন, তেমনি আবার সহযোগিতাও করেছেন ইষ্ট ইন্ডিয়া কম্পানীর হযে কাজ কোরে। পরে আবার অনুমোদন করেননি ওদের সীমাদি লংঘন করা এবং সংবাদপত্রের ঔপনিবেশিক সীমাবদ্ধ করনকে। এটা যেমন নিশ্চিত জে ওনার উচু বংশের পদমর্যাদা ওনাকে সুজোগ সুবিধা দিয়েছিল, তেমনি এটাও সত্য জে নিজের পরিবার ওনাকে ত্যাজ্য করেছিল ওনার কাজের জন্য।

arnos-vale

ব্রিষ্ঠল মন্দিরের পন্ডিতজী কমলেশ ভায়েস ওনাকে একজন প্রেরনা দায়ক ব্যক্তি বলে বিবেচনা করেন।

“রায় যে এই সতিদাহর মতো এমন একটা ভয়ঙ্কর প্রথার সমাপ্তি করেছিলেন এটা আমাদের সমাজের জন্য মঙ্গলকর… লোকে ওনাকে নিয়ে সমালচোনা করেছিল কিন্তু উনি তাতে পরোয়া করেননি। ওনার কাছে এই প্রথাটা পুরোপুরি ভুল ছিল।”

রায় হিন্দু ধর্মের এই গোঁড়ামির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে এই ব্রহ্ম সমাজ আন্দলনের স্থাপনা করেছিলেন যাতে একটি বিশ্বজনীন হিন্দু ধর্মের স্থাপনা করা যায়, যেখানে একজনই দেবতা যিনি সকলকে সাগ্রহে গ্রহন করেন, যেখানে এই গোঁড়া নিয়মগুলির কোন প্রয়োজন নেই।

তাহলে ব্রিষ্ঠলের লোকেরা ওনার সম্বন্ধে জানতে ইচ্ছুক হবে কেন?

ধর্ম সত্য অনুসন্ধানে রায় বিশ্বের বহু লোকের সঙ্গে পরিচিত হয়েছিলেন এবং ১৮৩১ সালে ব্রিষ্ঠলের উনিটেরিয়াণ গীর্জার একজণ ধর্মযাজক ল্যান্ট কারপেন্টাররে সঙ্গে বন্ধুত্ব হযাতে উনি এখানে আসেন।

রায়ের আদর্শ অনুপ্রানিত করেছিল উনিটেরিয়াণদের। ওনারা ছিলেন একটি খ্রীষ্টান আন্দলন যার মাধ্যমে রায়ের মতই সামাজিক ন্যায বিচারের জন্য লরাই করছিলেন।

ল্যান্ট কারপেন্টাররে মেয়ে মেরি কারপেন্টার, একজন বিখ্যত সামাজিক সংস্কারক, ভারত বর্সের নাড়ী শিক্ষা বেবস্থার জন্য ব্যপক প্রচার কাজে অনুপ্রেরিত হয়েছিলেন। রায়ের ব্রিষ্ঠলে আগমন পরে অনুপ্রেরনা দিযেছিল অন্য আরো ১৯ শতাব্দীর ভারতীয় ধর্ম সংস্কারকদের ব্রিষ্ঠলে আসার জন্য। এর থেকে বিভিন্ন ধর্মের এবং সংস্কৃতির মধ্যে সংলাপের প্রথা তৈরী হযেছিল যেটা ছিল মাঝে মাঝে অসস্তীকর তবুও আগ্রহান্বিত।

এখানে তিরোধানের পরে রায় আমাদের ইতিহাসে একটি বিশিষ্ট স্থান অধিকার করেছিলেন। সারা বছর ওনার স্মি্তিমন্দিরের আকর্ষণে বহু জনগনের সমাবেস হয় এবং ওনার স্মি্তিমন্দির পুষ্প অর্ঘে সজ্ঝিত কোরে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। প্রতি বছর সেপটেমবার মাসে, হিন্দু এবং উনিটেরিয়াণ উভয়েই ওনার স্মারক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন। আরনস ভেলের জেনিন ম্যারিয়ট বলেন যে কবরস্থানটি “ওনার উপস্থিতিতে সন্মানিত”.

“উনি ছিলন খুব প্রগতীশীল এবং খুব সমবেদনাশীল…এমন একজন মানুষ জিনি মানুষের সেবায় নিজেকে উত্সর্গ করেছিলেন এবং আমাদের দেসের একজন বড় আন্তরজাতিক যোগাযোগ।”

অনেকে চেষ্টা করেছে নিজের মতামত রায়ের উপর অভিক্ষেপ করে রায়কে নিজের মতো করে দাবী করতে। উনি কি বিপ্লববাদী ছিলেন নাকি উপনিবেশিক তাবেদার? একজন খ্রীষ্টান ধর্মান্তরিত ব্যক্তি নাকি একজন হিন্দু সংস্কারক? কালপনিক জগতে বাস করা একজন উন্নততর বুদ্ধিসালী নাকি একজন মানুষ যে সমাজের সকল জনগনের সমান অধিকার এবং সুযোগ সুবিধা প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করেছেন? হয়তো এই সব ধারনাই ঠিক অথবা কনটাই ঠিক নয়।

যত দুর জানাযায় উনি ছিলেন এক জটিল মানুষ যিনি নিজের সত্যের সন্ধান করছিলেন এবং ন্যায়ের পক্ষে লড়াই করছিলেন। ওনাকে আমরা মনে রেখেছি ওনার কাজের জন্য এবং সেই কাজ আমাদের এই শহরকে কি ভাবে অনুপ্রেরিত করেছে।

Join 2,500 Cable members redefining local media

Your support will help the Cable grow, deepening our connections in the city and investigating the issues that matter most in our communities.

Join now

What makes us different?

Comments

Report a comment. Comments are moderated according to our Comment Policy.

Post a comment

Mark if this comment is from the author of the article

By posting a comment you agree to our Comment Policy.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Related content

Watch: Why you should back the Cable – in 60 seconds

A breakdown of all the things we've managed to achieve for Bristol in almost a decade of reporting.

We’re working to diversify the Cable team. Let’s start with our freelancer base

The Cable exists to challenge the structure of the media, but we are not representative enough of our city. Here’s what we’re doing to change things.

‘We can move the dial’: can Massive Attack set a new benchmark for low-carbon live music?

The legendary Bristol band have announced a huge hometown show for 2024. But will the eco-friendly event provide a model for a more climate-conscious live music industry?

Whistleblowers reveal institutional racism at local NHS trust

A Cable investigation spanning months has uncovered that complaints of institutional racism at University Hospitals Bristol and Weston NHS Trust went unheard, despite promises from management to tackle the issue.

Listen: The Debrief, as seven Palestine Action activists are found guilty of criminal damage to Bristol’s ‘murder factory’

Cable journalists discuss covering the recent 'Elbit seven' trial, which brought into sharp focus a Bristol-based arms manufacturer’s role in supplying Israel’s war in Gaza.

Bristol councillors vote down Marvin Rees’ final budget after bad-tempered debate

The Greens came under fire for voting against Labour’s plans without providing alternative solutions. With councils going bankrupt elsewhere in the country, the stakes are high as Bristol prepares to ditch its mayoral system.

Bristol rogue trader slapped with criminal order after victims built dossier to expose him

Lewis Thomas, who operated anonymous carpentry businesses on social media, has six months to pay back £5,000 after pleading guilty to fraudulent practices.

High Court judge refuses to rule on whether Bristol Uni owed duty of care to student

The University of Bristol has lost its appeal in the discrimination case of Natasha Abrahart, who took her own life in 2018, but the case could have had more far reaching implications.

Join our newsletter

Get the essential stories you won’t find anywhere else

Subscribe to the Cable newsletter to get our weekly round-up direct to your inbox every Saturday

Join our newsletter

Subscribe to the Cable newsletter

Get our latest stories & essential Bristol news
sent to your inbox every Saturday morning